Posts

তেতুলিয়া ডাকবাংলো বুকিং ও যোগাযোগের ঠিকানা

Image
  তেঁতুলিয়া ডাকবাংলো কিভাবে যাওয়া যায় কিভাবে যাবেন, ঢাকার শ্যামলী থেকে বাসে পঞ্চগড়ে যাওয়া যায়। ভাড়া ১২০০/১৮০০টাকা। সময় লাগে ৮/৯ঘন্টা। রাত ৮-১০টার মধ্যে বাস গুলি ছেড়ে যায়।   থাকতে পারেন তেতুলিয়া ডাকবাংলোতে, পিকনিক কর্ণারে।  যোগাযোগ তত্ত্ববধায়ক মোবাইলঃ ০১৭৩৪৮০৫৫৩৫ বিস্তারিত ডাক-বাংলোটি জেলা পরিষদ কর্তৃক পরিচালিত। এর পাশাপাশি তেঁতুলিয়া উপজেলা পরিষদ কর্তৃক নির্মিত একটি পিকনিক কর্ণার রয়েছে। উক্ত স্থান দুইটি পাশাপাশি অবস্থিত হওয়ায় সৌন্দর্য বর্ধনের বেশী ভূমিকা পালন করছে। সৌন্দর্য বর্ধনে এ স্থান দুটির সম্পর্ক যেন মুদ্রার এপিঠ ওপিঠ। মহানন্দা নদীর তীর ঘেঁষা ভারতের সীমান্ত সংলগ্ন (অর্থাৎ নদী পার হলেই ভারত) সুউচ্চ গড়ের উপর সাধারণ ভূমি হতে প্রায় ১৫ হতে ২০ মিটার উচুতে ডাক-বাংলো এবং পিকনিক কর্ণার অবস্থিত।

তেতুলিয়ার ইতিহাস

Image
  তেতুলিয়ার ইতিহাস পঞ্চগড় জেলার তেতুলিয়া উপজেলা ইংরেজী ১৮৬০ সন হতে ১৮৬৯ সন পর্যন্ত রংপুর জেলার একটি মহুকুমা হিসেবে প্রশাসনিক ইউনিটের মর্যাদা লাভ করে। শিল্প, বাণিজ্য ও নদী বন্দর হিসেবে তেতুলিয়া ছিল সুবিখ্যাত। মারওয়ারিদের এখানে ছিল একটি প্রধান ব্যবসা কেন্দ্র। মহানন্দা নদী দিয়ে আসা যাওয়া করত মহাজনী নৌকা। এখানে বাণিজ্য মেলা বসত।  এ সময়ে তেতুলিয়া শহরের গুরুত্ব বৃদ্ধি পায়। তেতুলিয়াতে গড়ে উঠে বিশ কিছু চমৎকার পাকা বাড়ী, মন্দির ও একটি ঘোড় দৌড়ের মাঠ। একই সময়ে ম্যালেরিয়া এবং কালা জ্বরে এখানে ব্যাপক প্রাণহানী ঘটে ফলে শহর হিসেবে গড়ে উঠা তেতুলিয়া বন্দর নগরটি হয়ে পরে অস্বাস্থ্যকর এবং জনশুন্য। অবশেষে ১৮৭০ সনে ১ এপ্রিল তারিখে এক গেজেট নোটিফিকেশন এর মাধ্যমে তেতুলিয়া মহুকুমার সকল ক্ষমতা বিলুপ্ত করে চুড়ান্তভাবে ক্ষমতা হস্তান্তর করা হয় জলপাইগুড়ি জেলার কালেক্টরের হাতে। এর ফলে বিলুপ্ত হয় তেতুলিয়ার প্রশাসনিক ক্ষমতা । ১৯১৩ সনে তেতুলিয়া পূনরায় স্থাপিত হয় একটি পুর্নাঙ্গ পুলিশ স্টেশন।  এর পর থেকে ১৯৪৭ সনে ভারত বিভাগের সময় পর্যন্ত  এটি ছিল জলপাইগুড়ি জেলার অবিচ্ছিন্ন গুরত্বপুর্ন অংশ । ১৯৪৭ সনের ১...

সমতল ভূমির চা বাগান তেঁতুলিয়া

Image
 সমতল ভূমির চা বাগান তেঁতুলিয়া চা বাগানের কথা উঠলেই মনে হয় সিলেট বা শ্রীমঙ্গলের কথা। উচু নিচু সবুজে ঘেরা টিলা আর পাহাড় তার গাঁয়ে সারি সারি চা গাছ। কিন্তু সমতল ভূমিতেও যে চা বাগান হতে পারে তা পঞ্চগড় না এলে বোঝা যাবে না। দেশের সর্ব উত্তরের জেলা পঞ্চগড়ে গড়ে উঠেছে এমন অর্গানিক চায়ের প্রাণজুড়ানো সবুজ বাগান। এ দেশে অর্গানিক ও দার্জিলিং জাতের চায়ের চাষ হয় একমাত্র তেঁতুলিয়ার বাগানগুলোতেই। ইতিমধ্যে এ চা দেশের বাইরেও সুনাম অর্জন করেছে। পঞ্চগড় থেকে তেঁতুলিয়ার দূরত্ব ৩৫ কিলোমিটারের মতো। পঞ্চগড়ের অধিকাংশ চা বাগান এই তেঁতুলিয়াতেই অবস্থিত। এখানকার চা বাগানের মধ্যে কাজী এন্ড কাজী টি এস্টেট, ডাহুক টি এস্টেট, স্যালিলেন টি এস্টেট, তেঁতুলিয়া টি কোম্পানী প্রভৃতি বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। সমতল ভূমিতে সুন্দর পাকা রাস্তা। যতই এগুবেন সবুজ আপনাকে ক্রমেই মোহিত করতে থাকবে। সীমান্তের কাঁটাতারও যেন ঢাকা পড়েছে সবুজে। রাস্তার দুই পাশে বিস্তীর্ণ সবুজ। মুহূর্তেই যাবেন সবুজের সমারোহে। দলে দলে নারী কাঁধে সাদা ব্যাগ ঝুলিয়ে অবিরাম চা পাতা তুলছেন। নয়নাভিরাম দৃশ্য! এখানকার চা বাগান কিন্তু সিলেট বা চট্টগ্রামের মতো উঁচু-ন...